মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০১৭, ০২:৫৩:৪৪

প্রকাশিত : সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭ ০১:৪৪:০২ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

সুন্দরগঞ্জে ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্তঃ নেই

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রাপ্ত)’র প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন ও সহঃ শিক্ষক আনিছুর রহমান রানা’র বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্তঃ নেই। 

বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে উপজেলার বামনডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে রুহুল আমিন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় প্রধান পরীক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। আর নিরীক্ষক হিসেবে ছিলেন- সহকারী শিক্ষক আনিছুর রহমান রানা। এ সুযোগে শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ জন পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর কাটাকাটি করে বৃদ্ধি করে দেন। সে ফলাফলে ঐসব পরীক্ষার্থী জিপিএ- ৫সহ অনেকেই প্রাথমিকে বৃত্তি প্রাপ্ত হয়। এতে প্রকৃত মেধাবী পরীক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে বলে সচেতন মহলের ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। 

এব্যাপারে রবিবার বিকালে মোবাইল ফোনে কথা হলে উক্ত নিরীক্ষক আনিছুর রহমান বলেন-‘এগুলো অনেক দিনের কথা। অভিযোগ হয়েছিল। তদন্ত হয়েছে। তদন্তে প্রমাণীত হওয়ায় উর্ধ্বোতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা হিসেবে প্রথমবারের মতো ক্ষমা করে দিয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন’। 

প্রধান পরীক্ষক রুহুল আমিন বলেন- ‘ওইগল্যার কি দরকার,  অনেক দিনের ব্যাপার। ওইল্যাগা বাদ দেন তো আমার সামনে আইসেন। ওইগল্যা নিয়ে আর নাড়াচাড়া না করিয়ে আমার সমনে আইসেন তো’। এরপরবর্তী প্রশ্নোত্তর না দিয়ে প্রধান শিক্ষক মোবাইল ফোনের সংযোগ বিছিন্ন করে দেন। পুণঃরায় প্রথমবারের মতো কল হলেও পরবর্তীতে মোবাইল ফোন বন্ধ করেন।

এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার-একেএম হারুন-উর-রশিদ বলেন- ‘এখানে আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আরো ভালো করে জানতে হচ্ছে। হয় তো অ্যাকশনে যাব। তার কারণ, আগামী পরীক্ষা আছে। হয় তো এদেরকে পরীক্ষায় রাখা যাবে না’। 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম মন্ডল বলেন- বিষয়টি আমার জানা নেই। এব্যাপারে আমার কোন কিছুই করার নেই। 

সচেতন অভিভাবকগণ বলেন- অন্য বিদ্যালয়ে থাকলেও প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন যে কারণে শিবরাম আদর্শ সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের জন্য এতসব নম্বর জালিয়াতি করেছেন। সেই আশীর্বাদে আজ তিনি এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আর আনিছুর রহমান রানা ২০০৭ সাল থেকেই শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক হিসেবে আছেন বলে জানা গেছে।

সংবাদটি পঠিতঃ ২৬১ বার