মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০১৭, ০২:০১:৩৪

প্রকাশিত : রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৭ ০২:২৯:০৫ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

কুড়িগ্রামের প্রত্নতত্ত্ব স্থাপনার বেহাল দশা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 

কুড়িগ্রামে প্রাচীন মন্দির, মসজিদ ও রাজবাড়ীসহ ২৫টির মতো প্রত্নতত্ত্ব স্থাপনা রয়েছে। এরমধ্যে মোগল আমলে নির্মিত ৩টি মসজিদ সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে প্রতœতত্ত্ব বিভাগ। সংস্কার এবং সংরক্ষণের অভাবে বাকিগুলোর বেহাল দশা। ফলে হারিয়ে যাচ্ছে এ অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্যের নিদর্শনগুলো।

অবহেলিত এই অঞ্চলের স্বরনালী অতীতের সাক্ষী হয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে পুরাকীর্তি। এরমধ্যে নাগেশ্বরীর কাচারি পয়রাডাঙ্গা এলাকায় দু’টি শিব মন্দির, কামাক্ষা মাতা ঠাকুরানী মন্দির, বাঁশেরতল শিব মন্দির, উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেনী এলাকার দোল মন্দির ও শিব মন্দির এবং ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ী ও শিব মন্দির উল্লেখযোগ্য। এজন্য এগুলো ভবানী পাঠকের মঠ হিসেবে পরিচিত।

পাশাপাশি রয়েছে মোগল আমলে নির্মিত একাধিক মসজিদ। সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে পুরাকীর্তিগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভূ-সম্পত্তিগুলো বেদখল হয়ে গেছে বলে জানালেন এলাকাবাসী।

ধর্মীয়, শৈল্পিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক ধারক স্থাপনাগুলো সংস্কার ও সংরক্ষণ করা জরুরি বলে মনে করেন কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরী উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকার।

তিনি আরো বলেন, ‘এগুলো যদি সংস্কার ও সংরক্ষণ করা না যায় তাহলে পরবর্তী প্রজন্মে ছেলে-মেয়েরা কিছুই দেখতে পারবে না।

জরীপের মাধ্যমে এখানকার স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেন রংপুর প্রত্নতত্ত্ব দপ্তর রংপুর জাদুঘর কাস্টোডিয়ান মোঃ আবু সাইদ ইনাম তানভিরুল।

জেলায় এ পর্যন্ত সরদারপাড়া জামে মসজিদ, মেকুরটারী শাহী মসজিদ এবং কাদের বক্স মন্ডলের মসজিদকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

সংবাদটি পঠিতঃ ১৩২ বার