শনিবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৭:১২:৫০

প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ১০:১৭:৩৫ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

ভাষণে সব দিকনির্দেশনা দিয়ে যান জাতির পিতা: প্রধানমন্ত্রী

৭ মার্চের ভাষণে সব দিকনির্দেশনা দিয়ে যান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু জানতেন পাকিস্তানি শাসকরা কখনও ক্ষমতা দেবে না। যুদ্ধ করেই দেশ স্বাধীন করতে হবে। ৭০-এর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা হয়েছিল জনগণের ম্যান্ডেট নিতে। তিনি জানতেন নির্বাচনে জিতলেও ক্ষমতা ছাড়বে না পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা। তাই ৭ মার্চের ভাষণে সব দিকনির্দেশনা দিয়ে যান জাতির পিতা। অস্ত্র, প্রশিক্ষণ, অর্থ সংগ্রহসহ সব পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা তার এই ভাষণে ছিল।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া উপলক্ষে নাগরিক সমাজ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ভাষণের স্বীকৃতি সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেছেন, ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। এজন্য আমরা গর্বিত জাতি। আমাদের উন্নত শির যেন আর কোনোদিন পরাভূত না হয় সেজন্য সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত থাকবে, এর মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি এগিয়ে যাবে, এটাই হোক আজকের প্রতিজ্ঞা।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে আমরা মুক্তিযোদ্ধাসহ সবাই সম্মানিত হয়েছি। তবে পাকিস্তানের প্রেতাত্মা তোষামোদকারী ও চাটুকাররা যেন আর কখনও ইতিহাস বিকৃত করার সুযোগ না পায় সেজন্য বাংলার মানুষকে জাগ্রত থাকতে হবে।

তিনি বলেন, যাদের এ দেশে জন্ম হয়নি, যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে না কিংবা করতে পারেনি, তারা বঙ্গবন্ধুর নাম ও ৭ মার্চের ভাষণ মুছে ফেলতে চেয়েছে। এ কারণে বাজাতে দেয়নি। এ দেশে বসবাস করলেও তারা মূলত পাকিস্তানের প্রেতাত্মা।কিন্তু তারা যতই বন্ধ করতে চেয়েছে স্বাধীনতার উদ্দীপনা ও চেতনাকে রুখতে পারেনি। আমার প্রশ্ন, বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়া দেখে আজ কি তাদের এতটুকু লজ্জা হয় না?

নাগরিক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এমিরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। সঞ্চালনা করেন রামেন্দু মজুমদার ও নুজহাত চৌধুরী।

এসময় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক সমকালের গোলাম সারওয়ার, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ) বিট্রিস কালদুল।

সংবাদটি পঠিতঃ ৩৪৯ বার