বুধবার ২৫ এপ্রিল ২০১৮, ১২:৪৬:৪২

প্রকাশিত : বুধবার, ২৭ মে ২০১৫ ১২:৩২:৩২ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon


পাইলিংয়ের গর্তে সড়ক ধস

গাফিলতি পেলে রাজউক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: তাপস

ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন কারওয়ানবাজারে ন্যাশনাল ব্যাংকের বহুতল ভবন নির্মাণে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তাদের গাফিলতি পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

কারওয়ানবাজারের বীর উত্তম সিআর দত্ত সড়কে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রস্তাবিত ২৫ তলা ‘টুইন টাওয়ার’ এর পাইলিংয়ের গর্তে বুধবার ধসে পড়ে সড়কের একটি অংশ। এতে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায় পাশের সুন্দরবন হোটেল। বুধবার সকাল ১১টায় ঘটনাস্থলে যান তাপস। সাথে ছিলেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন।

তাপন গণমাধ্যমকে বলেন, ধসে পড়ার ঘটনায় রাজউক কর্মকর্তাদের গাফিলতি রয়েছে। এই বহুতল ভবনের জন্য গভীর গর্ত করার আগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল।

তিনি বলেন, ‘এতে দূর্ঘটনাকবলিত এলাকাসহ আশেপাশের এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে। দূর্ঘটনাকবলিত এলাকাসহ আশেপাশের এলাকার সাধারণ জনগনকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এজন্য পুলিশ, র‍্যাব, ও ফায়ার সার্ভিসকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজউক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি দেখভাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় ন্যাশনাল ব্যাংকের নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিংয়ের গর্তে পাশের সড়কের একটি অংশ ধসে গেছে। বুধবার সকালে দু’দফা এ ঘটনার পর সুন্দরবন হোটেলের পাশের ওই রাস্তাটি ছাড়াও কয়েকটি অস্থায়ী দোকানও পড়ে যায় গর্তটিতে।

এ ঘটনার পর সুন্দরবন হোটেলটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেখানে অবস্থানরত সকল বোর্ডারকে হোটেল ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ইতোমধ্যে সকলবোর্ডার হোটেল ত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক নুরুল হক মুক্তবাণী.কমকে জানান, সুন্দরবন হোটেলের পাশের রাস্তা নির্মানাধীণ ওই ভবনের গর্তে ধসে গেছে। এতে হোটেলটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে হোটেলের সকলবোর্ডারকে সরে যেতে বলা হয়েছে।

সুন্দরবন হোটেলের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার মুক্তবাণী.কমকে জানান, এ ঘটনার পর সকলবোর্ডার হোটেল ত্যাগ করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সকাল সাতটা ১০ মিনিটে ন্যাশনাল ব্যাংকের নির্মাণাধীন ভবনের গভীর গর্তে রাস্তাটি ধসে যায়। এরপর সকাল সাড়ে সাতটায় দ্বিতীয় দফায় ধসে রাস্তার ফুটপাত ও অস্থায়ী কয়েকটি দোকান ধসে যায়।

ফায়ার সার্ভিস তেজগাঁও স্টেশন অফিসার নুরুজ্জামান মুক্তবাণী.কমকে জানান, এ ঘটনার পর কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক নুরুল হক দ্য রিপোর্টকে জানান, বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

সংবাদটি পঠিতঃ ১০১ বার


ট্যাগ নিউজ

সর্বশেষ খবর