আজ রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০২:১০:০৯

প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭ ১২:০১:৫৯ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ফয়জুল হক

মুক্তবাণী.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

ঝালকাঠিঃ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া) আসন থেকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন গণ-মানুষের নেতা শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ফয়জুল হক। ইতোমধ্যে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে নির্বাচনী এলাকায় গণ-সংযোগের কাজ করছেন মালয়েশিয়ায় পিএইচডি গবেষণারত ও প্রিন্সিপ্যাল হিসেবে কর্মরত এই প্রার্থীর পক্ষে।

বিখ্যাত ইসলাম ধর্ম প্রচারক মাও. আজিজুর রহমান নেসারাবাদী (কায়েদ সাহেব হুজুরের) দৌহিত্র ফয়জুল হক পারিবারিক ঐতিহ্যগতভাবেই বহু আগে থেকে সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জড়িত। তিনি বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে নিজ উপজেলা ছাড়াও কাঁঠালিয়াবাসীর মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় উৎসাহ প্রদানে চষে বেড়িয়েছেন রাজাপুর-কাঠালিয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। এছাড়া তিনি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ নানান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন নিয়মিত। রাজাপুর ও কাঁঠালিয়ার বিভিন্ন এলাকায় এমএম হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুপেয় পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপন, মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরের উন্নয়নে অর্থ প্রদান করে আসছেন।

এছাড়া তিনি দুই ঈদে স্থানীয় গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে থেকে খোঁজ খবর নেওয়াসহ অর্থ সহযোগিতা করে থাকেন।

ভদ্র ও দানশীল বলে পরিচিত ফয়জুল হক আগামি সংসদ নির্বাচনের জন্য স্থানীয়ভাবে রয়েছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বয়সে তরুণ, কাজে-কর্মে অদম্য স্প্রিহা থাকা এই নেতার ব্যক্তি হিসেবেও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে জনগণের কাছে।

এলাকাবাসীর দাবি- সুখে-দুঃখে আমরা আমাদের পাশে সন্মানিত কায়েদ সাহেব হুজুরের এই দৌহিত্রকে দেখতে চাই। যিনি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কথা সংসদে বলবেন। কাজ করবেন জনগণের কল্যাণে ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে।

বিগত কয়েক বছর থেকেই ফয়জুল হক এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। সাধ্যের সর্বোচ্চটুকু বিলিয়ে দিচ্ছেন। ফলে রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া'র জনগনের নেতা থেকে বর্তমানে গন মানুষের নেতা হিসেবে পরিনত হয়েছেন।

ঝালকাঠি-১ সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, সদালাপি, হাস্যজ্জল ও পর-উপকারী এই গণ-মানুষের নেতার বিকল্প কাউকে ভাবছে না রাজাপুর ও কাঁঠালিয়ার মানুষ।

এলাকাবাসী বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকে এই এলাকায় অনেকেই এমপি হয়েছেন। কিন্তু সকল মানুষের সাথে মিলে মিশে এক হয়ে সুঃখ-দুঃখের খবর নেওয়ার মত এমন মানুষ আমরা ইতিপূর্বে দেখিনি। যিনি চলতি পথে গাড়ী থামিয়ে সাধারন মানুষের কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন। সকলকে নিয়ে রাস্তায় দাড়িয়ে চা পান করেন এই নেতা।

তার এহেন কর্মকাণ্ডে রাজাপুর ও কাঁঠালিয়াবাসী খুশি হয়ে আগামীতে যেকোন দল কিংবা স্বতন্ত্র হিসেবে হলেও ঝালকাঠি-১ আসনের এমপি হিসেবে জাতীয় সংসদে দেখতে চান।

এলাকাবাসীর মধ্যে জোর আলোচনা চলছে তিনি এমপি হিসেবে প্রার্থী হলে পাশ করেই যাবেন। তবে কেউ কেউ ভাবছেন তিনি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের টিকেটে প্রার্থী হবেন। আবার কেউ কেউ ভাবছেন তিনি দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি'র টিকেটে নির্বাচনে অংশ নিবেন। আবার এসবকে উড়িয়ে দিয়ে আলোচনায় আসছে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিবেন।

তবে যে যাই ভাবছেন না কেন- সকলের শেষ একটাই কথা তিনি নির্বাচনে যেভাবেই প্রার্থী হন না কেন রাজাপুর ও কাঁঠালিয়ার মানুষ দল-মত, জাতি-ধর্ম-বর্ণ ভুলে গিয়ে তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে।

প্রবাসে থাকলেও ছোট বেলা থেকে পর-উপকারী ফয়জুল হক এলাকার জনগণকে সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। নিয়মিত খোঁজ খবর রাখছেন নিজ এলাকার কারো কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা।

জনপ্রতিনিধি না হয়েও গণ-মানুষের কল্যাণে তার গৃহীত এমনসব কর্মকাণ্ডে তিনি ঝালকাঠি-১ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন। হয়েছেন সকলের নয়নের মনি। তার বিকল্প তিনি নিজেই। রাজাপুর-কাঁঠালিয়া ঘুরে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়াও জনগণ নতুন মুখ খুঁজছে। এক্ষেত্রে এলাকার গণমানুষের প্রিয় নেতা, ক্লিন ইমেজ ও ত্যাগী নেতারাই এগিয়ে রয়েছেন। সবগুলো রাজনৈতিক দলই জনবিচ্ছিন্ন নেতাদের বাদ দিয়ে যোগ্য ও তরুণদের প্রার্থী করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছেন।

ফলে স্থানীয়দের মতে, বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো ক্লিন ইমেজের এই নেতাকে নিজেদের প্রার্থী হিসেবে লুফে নেবে।


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ায় (আইআইইউএম) পিএইচডি গবেষণারত মুহাম্মদ ফয়জুল হক ১৯৮৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারিতে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার চারাখালি গ্রামের মাও. মুজ্জাম্মিলুল হক ও ফাতেমা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।

ফয়জুল হক ২০০১ সালে এসএসসি, ২০০৩ সালে এইচএসসি পাস করেন ঝালকাঠি থেকে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালে অনার্স (ইতিহাস) ও ২০১০ সালে মাস্টার্স (ইতিহাস) কমপ্লিট করেন। বর্তমানে তিনি আইআইইউএম-এ হিস্ট্রি এন্ড সিভিলাইজেশনের ওপর পিএইচডি গবেষণা করছেন।

তিনি ২০০৩-০৪ সালে ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসার ভিপি নির্বাচিত হন। ২০০৭-০৮ সেশনে বিএনসিসি’র (সেনা, নৌ ও বিমান) এডজুটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল বিভাগীয় ছাত্র সমিতির সভাপতির পদ ও অলঙ্কৃত করেন তিনি।

বর্তমানে তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট সোসাইটি'র (পিজিএসএস) ভাইস প্রেসিডেন্ট (২০১৬-১৭ সেশনের জন্যে) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে কাজ করছেন ঝালকাঠি এমএম হক ফাউন্ডেশন, পাওয়ারসেল ছাত্র সংসদ এন্ড ছাত্র ফোরাম, এক্সিলেঞ্চ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং সেন্টার মালয়েশিয়া (এসডিএনবিএইচডি) ম্যানাজিং ডাইরেক্টর ও প্রিন্সিপ্যাল।

সংবাদটি পঠিতঃ ১১৪৫৫ বার

সর্বশেষ খবর