আজ মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৬:১১:২৯

প্রকাশিত : বুধবার, ৩১ মে ২০১৭ ০৯:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

সিলেট মেডিকেল দেশের চতুর্থ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

মুক্তবাণী.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

সিলেট মেডিকেল কলেজকে দেশের চতুর্থ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি কার্যকরের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে অর্থমন্ত্রীর সভাকক্ষে এসেছি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দেয়ার জন্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেটে একটি ঐতিহাসিক জনসভায় ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশে আরও একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে, সেটি হবে সিলেটে। আজকে আমি সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন দিতে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছিলেন তারপর অর্থমন্ত্রী আমাকে চিঠি দিয়ে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন সিলেটে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কবে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছিলেন তার অনুমোদন আমরা পেয়েছি। সিলেটে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় যে নীতিমালায় হয়েছে একই নীতিমালায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে।

নাসিম বলেন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার মান বাড়ানো, স্নাতকোত্তর পাশাপশি গবেষণার বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। সিলেট বিভাগের মেডিকেল কলেজগুলো এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এফিলিয়েটেড থাকবে। নার্সিং ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পর রাজশাহী ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। ওইগুলোতে ভিসি নিয়োগ দিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দক্ষিণ সিলেটের সুরমা নদীর দক্ষিণ পাড়ে সিলেট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণয়ন কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। শিগগিরই জাতীয় সংসদে এ আইনটি উপস্থাপন হবে। আইনটি জাতীয় সংসদে পাশ হলে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আমরা যারা সিলেটের অধিবাসী তারা খুবই তৃপ্তি পাচ্ছি। এখন আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা।

সংবাদটি পঠিতঃ ১৮৭ বার

সর্বশেষ খবর