আজ শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭, ১০:৩৫:২২

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০১৭ ০৪:১০:২৬ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

অপরিকল্পিত নগরায়নে দীর্ঘ হচ্ছে বিলুপ্ত বন্যপ্রাণির তালিকা

মুক্তবাণী.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

অনুকূল ভৌগোলিক অবস্থান থাকার পরও জনসংখ্যা বৃদ্ধি আর অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র। দীর্ঘ হচ্ছে বিপন্ন বন্যপ্রাণির তালিকা। দেশে এরইমধ্যে ৩১ প্রজাতির প্রাণী পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব প্রাণী টিকে আছে তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে পড়বে পুরো দেশ।

খোলা আকাশের নিচে বাতাসের স্পর্শ ,মাটির ঘ্রাণের সাথে মিশে একাকার এখানকার জীবন। প্রাণের স্পন্দন, সবুজের বন্ধন, প্রকৃতির উচ্ছলতায় বৈচিত্রে ভরা এদেশ।

তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জীবনে লেগেছে আধুনিকতার তকমা, বেড়েছে গতিশীলতা। বাড়ছে মানুষ। বাড়তি মানুষের চাপ আর প্রযুক্তির ব্যবহারে প্রাণিজগৎ হয়ে পড়েছে বিপদগ্রস্ত।

হারিয়ে যেতে বসা জীববৈচিত্রে এখন আর বাড়ির পাশে শোনা যায়না শেয়ালের হাঁক। আর ব্যাঙের ডাক এখন কেবলই রূপকথা।

আজকের দিনে চিড়িয়াখানায়ই যেন নতুন প্রজন্মের কাছে বন্যপ্রাণির সঙ্গে পরিচিত হবার একমাত্র সুযোগ।

সবশেষ আইইউসিএন রেডলিস্টে ৭ পর্বের ১৬১৯টি প্রজাতির কথা উঠে এসেছে।

যার মধ্যে ১৩৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৬৬ প্রজাতির পাখি, ১৯৭ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪৯ প্রজাতির উভচর, ২৫৩ প্রজাতির মাছ, ১৪১ প্রজাতির চিংড়ি, ও ৩০৫ প্রজাতির প্রজাপতি।

এর মধ্যে মহাবিপন্ন ৫৬, বিপন্ন ১৮১ এবং সংকটাপন্ন হিসেবে ১৫৩ টি প্রজাতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়াও তালিকায় ৩১ টি প্রজাতিকে পুরোপুরি বিলুপ্ত ঘোষণা রার হয়েছে।

যার মধ্যে রয়েছে স্তন্যপায়ী ১১টি, পাখি ১৯ টি এবং সরীসৃপ ১ টি।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আইনের অভাব না থাকলেও এ আইনকে শুভঙ্করের ফাঁকি হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। অভয়াশ্রম নিশ্চিতকরণসহ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সচেতনতাকে জরুরি বলছেন তারা।

আইইউসিএনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ বছরে সব চেয়ে বিলুপ্ত হয়েছে পাখি প্রজাতি।

সংবাদটি পঠিতঃ ৬০ বার



সর্বশেষ খবর